গরমে কুকুরের যত্ন( Dog care in summer)

গরমে কুকুরের যত্ন( Dog care in summer)
এই পোস্টটি পেটবাংলা’র নিজস্ব সম্পদ যা কপিরাইট আইন অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া কপি করা কিংবা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ। শেয়ার করার জন্য দয়া করে লিঙ্ক শেয়ার করুন।
সামনে আসছে গ্রীষ্মকাল। কুকুর অনেক সময় গরমে অন্য রকম আচরণ করতে পারে তাই গরমে তাদের প্রতি নজর দেয়া জরুরি।গাড় রঙের পশমের কুকুররা বেশি তাপ শোষণ করে,বেশি ওজনের কুকুদের heat stroke,dehydration হয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

১।পানিঃ

গরমের আমাদের যেমন কিছুক্ষন পর পর তৃষ্ণা পায় তেমনটি আপনার পোষা  প্রাণীটির ক্ষেত্রে ঘটে,তাই তার পানির বাটির দিকে বিশেষ খেয়াল রখুন।পাত্রে যেন সবসময় পানি থাকে তার দিকে নজর রাখুন।এই সময় পানি খাওয়ার পরিমান বেড়ে যায় তাই কিছুক্ষন পর পর খোঁজ নিন যে পাত্রে পানি আছে কিনা।

চাইলে পানি ছাড়া অন্য পানীয়ও রাখতে পারেন খাবারের তালিকায় পানি,দই,সুপ ইত্যাদি ।গরমের কারনে তাদের রুচি অনেকখানি কমে যেতে পারে তাই তরল খাদ্য তাদের শরীরের জন্য উপকারী হবে আবার খুদা মেটাতেও সাহায্য করবে।

কিছু বরফ কুচি তার পানির পাত্রে দিয়ে দিন আর হাঁটতে বের হলে অবশ্যই সঙ্গে পানির বোতল নিন।।

২।হাটাঃ

কুকুরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন তাকে হটানো প্রয়োজন।গরমের দিনে চেষ্টা করবেন ভোরে কিংবা বিকালে সূর্যাস্তের পর বের হতে।সাথে পানির বেবস্থা রাখুন। বেশি দৌড়াতে দিবেন না।আস্তে আস্তে ঘাসের উপর বা ছায়া দিয়ে হাঁটান।এতে অতো গরম অ লাগবের আবার তার ব্যায়ামও হবে।।

৩।লক্ষন গুলো যেনে রাখুনঃ

গরমের কুকুর সহজেই ডিহাইড্রেটেট হয়ে যায়। তাই ডিহাইড্রেশনের লক্ষন গুলি জেনে রাখা জরুরি।

বার বার হাপিয়ে উঠা, ঢুলুঢুলু  বা রক্তবর্ণ চোখ,পিঠ গরম হয়ে যাওয়া,অতিরিক্ত লালা ঝরা এই লক্ষন গুলু দেখা দিচ্ছে কিনা তার দিকে নজর দিন।অনেক কুকুর বমিও করতে পারে।কোন ধরনের সমস্যা মনে হলেই ভেট এর সাথে যোগাযোগ করুন।

অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোক , ব্রেইনস্ট্রোকও হতে পারে,তাই আপনার কুকুরের দিকে বিশেষ নজর দিন।

৪।ঠাণ্ডা করুনঃ

শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে রাখা জরুরি এর জন্য একটি বেজা তোয়ালে বিছিয়ে দিন হাঁটিয়ে আনার পর।বেজা কাপর দিয়ে গা মুছে দিন,বরফ দিন,ফান এর সামনে বরফ রেখে দিতে পারেন।এসি ব্যাবহার করতে পারেন সম্ভব হলে।

৫।পার্ক করা গাড়িতে কুকুর রেখে যাবেন নাঃ

বাইরের তুলনায় পার্ক করা গাড়ির তাপমাত্রা বেশি থাকে তাই গারিতে ওদের রেখে না যাওয়ার চেষ্টা করুন

৬।পকামাকর হচ্ছে কিনাঃ

গরমে গায়ে পোকামাকড় হাওয়ার প্রবনতা বেরে যায়,২/৩ দিন পর পর খেয়াল করুন এই ব্যাপারটি।

৭।শেভ করবেন নাঃ

ব্যাপারটি অদ্ভুত শোনালেও আসলে এইটিই করনীয়।অনেকেই ভাবেন যে গরমের পশম কেটে দিলে হয়ত উপকার হয় কিন্তু আসলে ব্যাপারটা একদমই উলটো।পশমই বরং আপনার কুকুরকে অতিরিক্ত তাপ আর রশ্মি থেকে রক্ষা করে।দরকার করে ট্রিম করে দিন কিন্তু শেভ করবেন না।

কুকুরকে দেখে রাখুন  তার প্রয়োজনগুলুর প্রতি খেয়াল রাখুন এবং যেকোন সমস্যায় ভেটের সাথে কথা বলুন।

এই গরমে নিজে ভাল থাকুন এবং আপনার পোষা প্রাণীটিকেও ভাল রাখুন।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are makes.

error: Content is protected !!